রমজান মাসের গুরুত্ব, ফজিলত ও ক্যালেন্ডার-২০২৬
পেজ সূচীপত্রঃ রমজান মাসের গুরুত্ব, ফজিলত ও ক্যালেন্ডার-২০২৬
- রমজান মাসের পরিচয় ও প্রাথমিক গুরুত্ব
- রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত কীভাবে কুরআন-হাদিসে বর্ণিত
- রমজান মাসের ক্যালেন্ডার-২০২৬
- তাকওয়া অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় হিসেবে রমজান
- আত্মশুদ্ধি ও নফসের বিরুদ্ধে জিহাদের মাস
- সামাজিক সমতা ও সহমর্মিতার শিক্ষা
- কুরআন নাজিলের মাস ও তারাতবিহের ফজিলত
- লাইলাতুল কদর: হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত
- দোয়া কবুলের মৌসুম ও গুনাহ মাফের সুযোগ
- সিয়ামের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত উপকারিতা
- রমজান-পরবর্তী জীবন গঠনে এর প্রভাব
- শেষ কথা
রমজান মাসের পরিচয় ও প্রাথমিক গুরুত্ব
রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি অন্যতম স্তম্ভ সিয়াম পালনের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। এটি হিজরি বর্ষের নবম মাস এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর জন্য অপেক্ষার এক পবিত্র সময়। আল্লাহ তাআলা এই মাসে সিয়াম ফরজ করেছেন, যা সরাসরি তাঁরই জন্য পালিত হয় এবং তিনি নিজেই এর প্রতিদান দেবেন বলে হাদিসে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।
এই মাস কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণার সংযমই নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণের মাস। এটি মুমিনের জীবনকে পুনর্বিন্যাস করে, জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করে। রমজানের আগমন তাই শুধু একটি রুটিন পরিবর্তন নয়, বরং আত্মিক পুনর্জাগরণের সুসংবাদ বয়ে আনে।
রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত কীভাবে কুরআন-হাদিসে বর্ণিত
কুরআন মজিদে স্পষ্টভাবে রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, "রমজান মাস, এতে মানুষের দিশারি এবং সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী রূপে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।" (সূরা বাকারা: ১৮৫)। এই আয়াতেই রমজান ও কুরআনের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রমজান মাস ১৪৪৭ হিজরি / ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১ম রমজান: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সম্ভাব্য)
| রোজা | ইংরেজি তারিখ | বাংলা তারিখ (আনুমানিক) | বার | সেহরীর শেষ সময় | ইফতারের সময় |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ১৮ ফেব্রুয়ারি | ৫ ফাল্গুন | বুধবার | ৫:২০ AM | ৬:০২ PM |
| ২ | ১৯ ফেব্রুয়ারি | ৬ ফাল্গুন | বৃহস্পতিবার | ৫:১৯ AM | ৬:০৩ PM |
| ৩ | ২০ ফেব্রুয়ারি | ৭ ফাল্গুন | শুক্রবার | ৫:১৮ AM | ৬:০৩ PM |
| ৪ | ২১ ফেব্রুয়ারি | ৮ ফাল্গুন | শনিবার | ৫:১৭ AM | ৬:০৪ PM |
| ৫ | ২২ ফেব্রুয়ারি | ৯ ফাল্গুন | রবিবার | ৫:১৬ AM | ৬:০৫ PM |
| ৬ | ২৩ ফেব্রুয়ারি | ১০ ফাল্গুন | সোমবার | ৫:১৫ AM | ৬:০৫ PM |
| ৭ | ২৪ ফেব্রুয়ারি | ১১ ফাল্গুন | মঙ্গলবার | ৫:১৪ AM | ৬:০৬ PM |
| ৮ | ২৫ ফেব্রুয়ারি | ১২ ফাল্গুন | বুধবার | ৫:১৩ AM | ৬:০৭ PM |
| ৯ | ২৬ ফেব্রুয়ারি | ১৩ ফাল্গুন | বৃহস্পতিবার | ৫:১২ AM | ৬:০৭ PM |
| ১০ | ২৭ ফেব্রুয়ারি | ১৪ ফাল্গুন | শুক্রবার | ৫:১০ AM | ৬:০৮ PM |
| ১১ | ২৮ ফেব্রুয়ারি | ১৫ ফাল্গুন | শনিবার | ৫:০৯ AM | ৬:০৯ PM |
| ১২ | ১ মার্চ | ১৬ ফাল্গুন | রবিবার | ৫:০৮ AM | ৬:০৯ PM |
| ১৩ | ২ মার্চ | ১৭ ফাল্গুন | সোমবার | ৫:০৬ AM | ৬:১০ PM |
| ১৪ | ৩ মার্চ | ১৮ ফাল্গুন | মঙ্গলবার | ৫:০৫ AM | ৬:১১ PM |
| ১৫ | ৪ মার্চ | ১৯ ফাল্গুন | বুধবার | ৫:০৪ AM | ৬:১১ PM |
| ১৬ | ৫ মার্চ | ২০ ফাল্গুন | বৃহস্পতিবার | ৫:০২ AM | ৬:১২ PM |
| ১৭ | ৬ মার্চ | ২১ ফাল্গুন | শুক্রবার | ৫:০১ AM | ৬:১৩ PM |
| ১৮ | ৭ মার্চ | ২২ ফাল্গুন | শনিবার | ৫:০০ AM | ৬:১৩ PM |
| ১৯ | ৮ মার্চ | ২৩ ফাল্গুন | রবিবার | ৪:৫৮ AM | ৬:১৪ PM |
| ২০ | ৯ মার্চ | ২৪ ফাল্গুন | সোমবার | ৪:৫৭ AM | ৬:১৪ PM |
| ২১ | ১০ মার্চ | ২৫ ফাল্গুন | মঙ্গলবার | ৪:৫৫ AM | ৬:১৫ PM |
| ২২ | ১১ মার্চ | ২৬ ফাল্গুন | বুধবার | ৪:৫৪ AM | ৬:১৬ PM |
| ২৩ | ১২ মার্চ | ২৭ ফাল্গুন | বৃহস্পতিবার | ৪:৫৩ AM | ৬:১৬ PM |
| ২৪ | ১৩ মার্চ | ২৮ ফাল্গুন | শুক্রবার | ৪:৫১ AM | ৬:১৭ PM |
| ২৫ | ১৪ মার্চ | ২৯ ফাল্গুন | শনিবার | ৪:৫০ AM | ৬:১৭ PM |
| ২৬ | ১৫ মার্চ | ৩০ ফাল্গুন | রবিবার | ৪:৪৮ AM | ৬:১৮ PM |
| ২৭ | ১৬ মার্চ | ১ চৈত্র | সোমবার | ৪:৪৭ AM | ৬:১৮ PM |
| ২৮ | ১৭ মার্চ | ২ চৈত্র | মঙ্গলবার | ৪:৪৫ AM | ৬:১৯ PM |
| ২৯ | ১৮ মার্চ | ৩ চৈত্র | বুধবার | ৪:৪৪ AM | ৬:১৯ PM |
| ৩০ | ১৯ মার্চ | ৪ চৈত্র | বৃহস্পতিবার | ৪:৪২ AM | ৬:২০ PM |
※ সময়গুলো আনুমানিক (ঢাকার জন্য)। সঠিক সময়ের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ বা স্থানীয় মসজিদের ক্যালেন্ডার দেখুন।
তাকওয়া অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় হিসেবে রমজান
সিয়ামের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জন। কুরআনে বলা হয়েছে, "হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।" (সূরা বাকারা: ১৮৩)। রমজানের সিয়াম মানুষকে অবৈধ ও গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকার নিয়মিত অনুশীলন করায়।
এ মাসে প্রতিটি কাজ আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয় বলেই অন্তরে আল্লাহর প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। ক্ষুধা-তৃষ্ণা ভোগের মাধ্যমে ধনী-গরীবের মধ্যে একাত্মতা জন্ম নেয়, যা তাকওয়া বৃদ্ধির অন্যতম উপকরণ। এই পুরো মাসটাই একটি তাকওয়া-কেন্দ্রিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প হিসেবে কাজ করে।
আত্মশুদ্ধি ও নফসের বিরুদ্ধে জিহাদের মাস
রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলতের আরেকটি দিক হলো এটি আত্মশুদ্ধির মাস। রোজা শুধু পেট ও যৌনাঙ্গের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং চোখ, কান, জিহ্বা ও হাত-পাকেও পাপ কাজ থেকে নিয়ন্ত্রণ করে। নবীজি (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও মিথ্যার কাজ পরিত্যাগ করে না, তার খাদ্য-পানীয় পরিত্যাগ করে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।" (বুখারি)।
এই মাসে নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ চালিয়ে তার কুপ্রবৃত্তিগুলো দমন করা হয়। নিয়মিত ইবাদত, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার এবং রাতের তাহাজ্জুদ নামাজের মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার এটিই সর্বোত্তম সময়। এই আত্মিক সংগ্রামের মাধ্যমেই ব্যক্তি প্রকৃত মুত্তাকি হওয়ার পথে এগিয়ে যায়।
সামাজিক সমতা ও সহমর্মিতার শিক্ষা রমজান
সামাজিক সম্প্রীতি ও সমতার এক জীবন্ত শিক্ষা। ধনী ও দরিদ্র উভয়ই একই সময়ে ক্ষুধা-তৃষ্ণা অনুভব করে, যা পরস্পরের মধ্যে সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করে। ধনীরা গরীবের কষ্ট উপলব্ধি করতে পারে, ফলে তাদের মাঝে দান-সদকার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। ইফতারের সময় একই দস্তরখানে সমবেত হয়ে সবার একসাথে খাওয়া, সাহরির জন্য একত্রিত হওয়া – এসব সামাজিক বন্ধনকে অত্যন্ত মজবুত করে।
এ মাসে যাকাত ও ফিতরা প্রদানের বিধান সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কুরআন নাজিলের মাস ও তারাতবিহের ফজিলত
রমজান মাসের সাথে কুরআন নাজিলের সম্পর্ক গভীর। এ মাসেই লাইলাতুল কদরে পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। তাই এ মাস কুরআনের মাস হিসেবেও পরিচিত। নবীজি (সা.) রমজানে জিবরাইল (আ.) এর সাথে কুরআন মুতালা করতেন, যা তারাতবিহ বা কুরআন অধ্যয়নের গুরুত্বকে নির্দেশ করে।
তারাবিহ নামাজ এই কুরআনিক ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা। এতে সুরা তিলাওয়াত ও শোনার মাধ্যমে পুরো মাসে এক বা একাধিকবার খতমে কুরআন সম্পন্ন হয়, যা ঈমানকে সজীব ও হৃদয়কে আলোকিত করে। রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত বোঝার জন্য কুরআন চর্চা অপরিহার্য।
লাইলাতুল কদর: হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত
রমজানের সবচেয়ে বড় ফজিলতপূর্ণ নিয়ামত হলো লাইলাতুল কদর বা মহিমান্বিত রাত। কুরআনে এ রাত সম্পর্কে বলা হয়েছে, "লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম।" (সূরা কদর: ৩)। এই রাতেই মানবজাতির হেদায়েতের জন্য লাওহে মাহফুজ থেকে আল্লাহপাক প্রথম আসমানে কোরআন অবতীর্ণ করেন। এই একটি রাতের ইবাদত ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াবের। রাসূলুল্লাহ (সঃ) রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাত (২১,২৩,২৫,২৭,২৯) গুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করতে বলেছেন।
এই রাতে জিব্রাইল (আঃ) অসংখ্য ফেরেশতার সহ পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত করেন। এই রাত গোপন রাখা হয়েছে যাতে মুমিনগণ রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি বিজোড় রাতেই ইবাদতে মশগুল হয়ে এর সন্ধান পায়। এই রাতে ফেরেশতাগণ ও রুহ (জিবরাইল আ.) অবতরণ করেন এবং সুবহে সাদিক পর্যন্ত শান্তি বিরাজ করে। এ রাতের দোয়া কবুল হয়, তাই সচেতন মুমিন এ সুযোগ হাতছাড়া করে না।
দোয়া কবুলের মৌসুম ও গুনাহ মাফের সুযোগ
রমজান হলো দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। রোজাদারের ইফতারের সময়ের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন বলে হাদিসে বর্ণিত আছে। এছাড়াও সাহরি, তাহাজ্জুদ ও বিশেষ করে লাইলাতুল কদরে দোয়া-মোনাজাতের গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তাআলা এ মাসে তার বান্দাদেরকে বিশেষভাবে ডেকে নেন।
সিয়ামের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যগত উপকারিতা
রমজানের সিয়ামের আধ্যাত্মিক ফজিলতের পাশাপাশি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এটি পরিপাকতন্ত্রকে বিশ্রাম দেয়, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানও এর উপকারিতা স্বীকার করে। মানসিকভাবে এটি ধৈর্য, সংযম ও ইচ্ছাশক্তির বল বৃদ্ধি করে। জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়। এক মাসের এই অনুশীলন বছরের বাকি সময়টুকুও প্রভাবিত করে। সুতরাং, রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত কেবল আধ্যাত্মিকই নয়, বরং তা সামগ্রিক মানবিক উন্নয়নের সাথে যুক্ত।
রমজান-পরবর্তী জীবন গঠনে এর প্রভাব
রমজানের প্রকৃত সফলতা হলো এর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ধরে রেখে বছরের বাকি এগারো মাস পরিচালনা করা। রমজান আমাদের যে তাকওয়া, নিয়মানুবর্তিতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ শিখিয়েছে, তা যেন বাকি জীবনেও বজায় থাকে। এটিই হলো 'তাকওয়ার মাস' থেকে 'তাকওয়ার জীবন'-এর যাত্রা।
যে ব্যক্তি রমজান থেকে ফায়দা হাসিল করতে পেরেছে, তার জীবনে ইবাদতের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়, গুনাহ থেকে দূরে থাকার প্রবণতা বাড়ে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত হয়। এভাবে রমজান মুমিনের জন্য একটি বার্ষিক রিফ্রেশার কোর্স হিসেবে কাজ করে, যা তাকে পরবর্তী রমজান পর্যন্ত সতেজ ও সক্রিয় রাখে।
শেষ কথা
উপর্যুক্ত আলোচনায় স্পষ্ট যে, রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত বহুমুখী ও অপরিসীম। এটি কেবলই সিয়াম পালনের মাস নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার প্রশিক্ষণকাল। আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন, সামাজিক সম্প্রীতি, কুরআন চর্চা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ এই মাসে নিহিত রয়েছে। লাইলাতুল কদরের মতো মহান নিয়ামত এই মাসকে আরও বেশি বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে। যারা এই মাসের ফজিলত অর্জনে সচেষ্ট হয়, তারা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেত্রেই সফলতা লাভ করে।


Is it ok?